আমার ভাবনার কথা প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ করেছিলাম ২০০৭ সালে।
১. আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন
বসবাস বেড়ে ওঠা, জীবনের পথ ধরে চলতে থাকা সবই এখানে, মানে এই ভার্চুয়াল স্পেইসে। রিয়েল স্পেইসে খুব একটা যাওয়া হয় না। তাই কর্ম জগত বন্দী হয়ে আছে ভার্চুয়াল স্পেইসে আগত ভার্চুয়াল আই.ডি. ধারী মানুষজন দিয়ে। সোজা কথা রিয়্যালিটি থেকে বিচ্ছিন্ন।
২. কেন লিখি?
একবার ই -ম্যাগাজিনের ভার্চুয়াল স্পেইসে একটি লেখার খুব প্রয়োজন ছিল, বলে আমার মনে হল। লেখাটি তৈরি করলাম । এভাবে আরও কয়েকটি লেখা তৈরি হয়ে গেল। ই -ম্যাগাজিনের জন্যই লেখালেখি শুরু হল ।অর্থাৎ indirectly বলা যায় ই- ম্যাগাজিনের পাঠকদের জন্যই আমার লেখা শুরু।
৩. প্রিয় লেখক কে?
লেখক বিশেষ কেউ নেই, আবার কেউ তৎক্ষণাৎ প্রিয় হয়ে যায় যদি কারো লেখার বিষয় ও স্টাইল ভালো লেগে যায় । তখন তিনি ওই সময়ের জন্য প্রিয় লেখক হয়ে যান ।
৪. ইন্টারনেট কি বাংলা সাহিত্য কে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে?
ইন্টারনেট একটি মাধ্যম যা, বাংলা সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে, যদি না হঠাৎ কোন অলৌকিক কারণে এ প্রযুক্তি থেমে যায়! থেমে গেলে তখন অন্য কথা। সব হারিয়ে যাবে। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। আমরা তো দমে যাবার প্রজাতি না।
৫. বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যত কেমন?
বাংলা সাহিত্যের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। বাংলা সাহিত্যের চর্চা ব্যাপক। আর তাই এর প্রসারতা সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে ও বিস্তৃতি লাভ করবে।
৬.সাহিত্যের দায়বদ্ধতা
সাহিত্যের দায়বদ্ধতা বলতে বুঝি লেখক হিসেবে যে শিল্পসাহিত্য সৃষ্টি করছি তার মান শিল্প-সম্মত হওয়া। এই মাত্রাবোধ বিভিন্ন হতে পারে। তা থেকে তর্কের সূচনা হতে পারে। তাই এইটুকু বলতে চাই যে, একজন লেখক, কবি, নাট্যকার, গীতিকার অর্থাৎ একজন শিল্পী যা সৃষ্টি করুন না কেন, তা যেন সুন্দর হয়, শৈল্পিক হয়। আর যিনি সুন্দর রচনায় ব্যর্থ, তার অন্তত অসুন্দরের চর্চা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।
৭.আপনি কি চান কেউ আপনার লেখা মনে রাখুক?
আমার লেখা কেউ মনে রাখুক, তা কখনোই ভাবি না। অমন রচনা তৈরি করবার যে দক্ষতাটুকু তো প্রয়োজন, তা যে আমার নেই।
৮.আপনার স্বপ্ন
আমার স্বপ্ন অনেক। ভার্চুয়াল স্পেইসের বাসিন্দা আমি। ভার্চুইয়াল রিয়্যালিটি একদিন রিয়্যাল জগতের মানুষদের সকল দুঃখ বেদনা ঘুচিয়ে দিবে। সকল আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে দেবে এই কামনাই করি।

