এককথায় ~
পরাবাস্তবতা হলো কল্পনা, স্বপ্ন, অবচেতন মন ও অদ্ভুত অদ্ভুত অদ্ভুত ব্যাখ্যা করা যায় না এরকম সকল শিল্পমন্ডিত দৃশ্য । অর্থাত এতে শিল্পের ছোঁয়া থাকবে। ।
অতিবাস্তবতা হলো বাস্তবের চেয়ে অধিক নিখুঁত, সূক্ষ্ম ও পরিষ্কারভাবে দৃশ্য উপস্থাপন করার শিল্প। যেমন হালের AI মহাশয়।
সারমর্ম ~~
পরাবাস্তবতা (Surrealism) এবং অতিবাস্তবতা (Hyper realism) উভয়ই শিল্প, সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ধারনা, চিন্তা ও ভাব বহন করে। তাই এগুলোর অর্থ ও প্রয়োগে পার্থক্য রয়েছে যা বোদ্ধারা ভাল ধরতে পারেন। এগুলো মূলত শিল্প ও সাহিত্যে দুইটি আলাদা ধারা। ২০ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে শিল্প ও সাহিত্য আন্দোলন হিসেবে শুরু হয়। এই ধারার মূল লক্ষ্য ছিল অবচেতন মন, স্বপ্ন, কল্পনা এবং বাস্তবতার বাইরে থাকা অভিজ্ঞতাকে শিল্প বা সাহিত্যে প্রকাশ করা। পরাবাস্তববাদীরা বিশ্বাস করতেন, মানুষের সত্যিকার অনুভূতি ও চিন্তা অবচেতন মনেই লুকিয়ে থাকে। ফলে তারা স্বপ্ন, বিভ্রম, অসম্ভব অথবা অদ্ভুত দৃশ্যপট, অবাস্তব সংযোগ এবং যুক্তিহীন উপস্থাপনা ব্যবহার করে তাদের কাজকে প্রকাশ করতেন।
বৈশিষ্ট্যঃ
যুক্তিহীন, অদ্ভুত অথবা স্বপ্ন-সদৃশ চিত্রায়ন।
অবচেতন মন ও স্বপ্নের প্রভাব, যেখানে আত্মা ডাইমেশান থেকে ডাইমেশানে ঘুরে বেড়ায়। সেসব অন্যজগতের বিষয়া্বলীকে অসম্ভব বা অবাস্তব বিষয়বস্তু বলে মনে হয়।
পরাবাস্তবতা (Surrealism) এবং অতিবাস্তবতা (Hyper realism) উভয়ই শিল্প, সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ধারনা, চিন্তা ও ভাব বহন করে। তাই এগুলোর অর্থ ও প্রয়োগে পার্থক্য রয়েছে যা বোদ্ধারা ভাল ধরতে পারেন। এগুলো মূলত শিল্প ও সাহিত্যে দুইটি আলাদা ধারা। ২০ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে শিল্প ও সাহিত্য আন্দোলন হিসেবে শুরু হয়। এই ধারার মূল লক্ষ্য ছিল অবচেতন মন, স্বপ্ন, কল্পনা এবং বাস্তবতার বাইরে থাকা অভিজ্ঞতাকে শিল্প বা সাহিত্যে প্রকাশ করা। পরাবাস্তববাদীরা বিশ্বাস করতেন, মানুষের সত্যিকার অনুভূতি ও চিন্তা অবচেতন মনেই লুকিয়ে থাকে। ফলে তারা স্বপ্ন, বিভ্রম, অসম্ভব অথবা অদ্ভুত দৃশ্যপট, অবাস্তব সংযোগ এবং যুক্তিহীন উপস্থাপনা ব্যবহার করে তাদের কাজকে প্রকাশ করতেন।
বৈশিষ্ট্যঃ
যুক্তিহীন, অদ্ভুত অথবা স্বপ্ন-সদৃশ চিত্রায়ন।
অবচেতন মন ও স্বপ্নের প্রভাব, যেখানে আত্মা ডাইমেশান থেকে ডাইমেশানে ঘুরে বেড়ায়। সেসব অন্যজগতের বিষয়া্বলীকে অসম্ভব বা অবাস্তব বিষয়বস্তু বলে মনে হয়।
অলীক, অপ্রত্যাশিত সংযোগ দেখা দেয় যা আসলে -সাব কন্সাস মাইন্ড দিয়ে ঘটানো সম্ভব।
অতিবাস্তবতা (Hyper realism)
অতিবাস্তবতা শিল্পের এমন একটি ধারা, যেখানে বাস্তবতার চেয়েও বেশি নিখুঁত, বিশদ এবং স্বচ্ছভাবে বিষয়বস্তুকে উপস্থাপন করা হয়। এটি মূলত চিত্রকলায় বেশি ব্যবহৃত হয়। অতিবাস্তব চিত্রশিল্পীরা ক্যামেরায় তোলা আলোকচিত্রের মতোই নিখুঁত ও সূক্ষ্মভাবে চিত্র আঁকেন, যেটাকে কখনো কখনো ছবির থেকেও বেশি বাস্তব এবং জীবন্ত মনে হয়।
AI দ্ববারা এসব কাজ এখন অতিদ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে। সাথে অ্যানিমেশান যুক্ত করে নিখুঁত ভাবে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি -ও তৈরি করা হচ্ছে। কম্পিঊটার গেইমসের মাধ্যমে সেই জগতে প্রবেশ করে গাড়ির রেইস করা, প্রাচীন কালের আবহে ডাইনোসোরদের সাথে যুদ্ধ করা, এ সব কিছুর পারিপার্শ্বিকতা ও সময়ের (space and time) স্বাদ গ্রহণ করা যাচ্ছে।
বৈশিষ্ট্যঃ
অতিবাস্তবতা শিল্পের এমন একটি ধারা, যেখানে বাস্তবতার চেয়েও বেশি নিখুঁত, বিশদ এবং স্বচ্ছভাবে বিষয়বস্তুকে উপস্থাপন করা হয়। এটি মূলত চিত্রকলায় বেশি ব্যবহৃত হয়। অতিবাস্তব চিত্রশিল্পীরা ক্যামেরায় তোলা আলোকচিত্রের মতোই নিখুঁত ও সূক্ষ্মভাবে চিত্র আঁকেন, যেটাকে কখনো কখনো ছবির থেকেও বেশি বাস্তব এবং জীবন্ত মনে হয়।
AI দ্ববারা এসব কাজ এখন অতিদ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে। সাথে অ্যানিমেশান যুক্ত করে নিখুঁত ভাবে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি -ও তৈরি করা হচ্ছে। কম্পিঊটার গেইমসের মাধ্যমে সেই জগতে প্রবেশ করে গাড়ির রেইস করা, প্রাচীন কালের আবহে ডাইনোসোরদের সাথে যুদ্ধ করা, এ সব কিছুর পারিপার্শ্বিকতা ও সময়ের (space and time) স্বাদ গ্রহণ করা যাচ্ছে।
বৈশিষ্ট্যঃ
অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত অঙ্কন বা উপস্থাপনা
বাস্তব জগতের দৃশ্যের অতিরঞ্জিত বা অতিমাত্রায় বিশদ বিবরণ - যেখানে সাধারণত কোনো অতিপ্রাকৃত বা অসম্ভব বিষয়বস্তু থাকে না, বরং বাস্তবতাকেই অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরা হয়। তাই কম্পিঊটার গেইমসকে অনেকে ছোট শিশুদের জন্য বিষাক্ত মনে করেন। তারা ভাবেন শিশুরা এতে করে বস্তবতা ছেড়ে অতি -বাস্তবতায় বেশী সময় ধরে অবস্থান করতে করতে সে অতি -বাস্তবতাকে গুলিয়ে ফেলবে তার চারপাশের বাস্তবতার থেকে। কিন্তু 3D থেকে 5D তে উত্তরণের এই মাঝপথে অতি-বাস্তবতার প্রযুক্তি সক্রিয় হতে বাধ্য। এবং তাই-ই হচ্ছে।
বাস্তব জগতের দৃশ্যের অতিরঞ্জিত বা অতিমাত্রায় বিশদ বিবরণ - যেখানে সাধারণত কোনো অতিপ্রাকৃত বা অসম্ভব বিষয়বস্তু থাকে না, বরং বাস্তবতাকেই অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরা হয়। তাই কম্পিঊটার গেইমসকে অনেকে ছোট শিশুদের জন্য বিষাক্ত মনে করেন। তারা ভাবেন শিশুরা এতে করে বস্তবতা ছেড়ে অতি -বাস্তবতায় বেশী সময় ধরে অবস্থান করতে করতে সে অতি -বাস্তবতাকে গুলিয়ে ফেলবে তার চারপাশের বাস্তবতার থেকে। কিন্তু 3D থেকে 5D তে উত্তরণের এই মাঝপথে অতি-বাস্তবতার প্রযুক্তি সক্রিয় হতে বাধ্য। এবং তাই-ই হচ্ছে।



No comments:
Post a Comment