হিন্দু ধর্মমতে বিয়ে


হিন্দু ধর্মে ১ থেকে ১৬ বছর বয়সের অজাতপুষ্পবালাকে ‘কুমারী’নামে অভিহিত করা হয়েছে। বয়স অনুযায়ি কুমারীদেরকে ভিন্ন ভিন্ন নামও দেওয়া হয়েছে। 

১ বছর বয়সী কন্যাকে সন্ধা, ২ বছর বয়সী কন্যাকে স্বরসতী, ৩ বছর বয়সী কন্যাকে কালিকা, ৫ বছর বয়সী কন্যাকে সুভগা, ৬ বছর বয়সী কন্যাকে উমা, ৭ বছর বয়সী কন্যাকে মালিনী, ৮ বছর বয়সী কন্যাকে কুব্জিকা, ৯ বছর বয়সী কন্যাকে অপরাজিতা, ১০ বছর বয়সী কন্যাকে কালসন্ধর্ভা, ১১ বছর বয়সী কন্যাকে রম্নদ্রাণী, ১২ বছর বয়সী কন্যাকে ভৈরবী, ১৩ বছর বয়সী কন্যাকে মহালড়্গী, ১৪ বছর বয়সী কন্যাকে পীঠনায়িকা, ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে ড়্গেত্রজ্ঞা এবং ১৬ বছর বয়সী কন্যাকে অম্বিকা বলা হয়। হিন্দুশাস্ত্রে বলা হয়ে থাকে যে, এসব নাম জগম্মাতার স্বরূপের এক একটি গুণ প্রকাশ করে।        

হিন্দুশাস্ত্র বাৎস্যায়ন অনুসারে বিয়েকে ৮ প্রকারে ভাগ করা হয়। এগুলো হল 

১. ব্রাহ্ম, ২. প্রজাপত্য, ৩. আর্য্য, ৪. দৈব, ৫. অসুর বা আসুরিক, ৬. গন্ধর্ব, ৭. পিশাচ বা পৈশাচিক এবং ৮. রাক্ষস বিয়ে। 

কারো কারো মতে বিয়ের এ ভাগগুলির পিছনে একইসাথে শাস্ত্র ও লোকাচার এ দুটোই ভূমিকা রেখেছে। কয়েকটি বিয়ে আছে যা সম্পুর্ণ লোকাচার ভিত্তিক। লোকাচার ভিত্তিক এ বিয়েগুলিতে কোন প্রকার মন্ত্রোচ্চারণ বা যাগযজ্ঞের প্রয়োজন হতো না। শাস্ত্র অনুমোদিত বিয়ের মূল অনুষ্ঠানগুলিতে মন্ত্রপাঠ, যজ্ঞ এবং বিধি অনুযায়ি কন্যা সম্প্রদান করা হতো। 

৮ প্রকার বিয়ের মধ্যে প্রথম চার প্রকারের বিয়ে অর্থাৎ ব্রাহ্ম, প্রজাপত্য, আর্য্য ও দৈব বিয়েগুলি মূলত একই রকম, শুধুমাত্র পদ্ধতি এবং মন্ত্রের বিভিন্নতার জন্য নামগুলি ভিন্ন ভিন্ন। এ বিয়েগুলিতে পাত্র-পাত্রীর ভূমিকা কম, পিতা-মাতা বা গার্জিয়ানরাই এ বিয়ের আয়োজন করে থাকেন। 

শেষোক্ত চার প্রকার বিয়ে অর্থাৎ অসুর বা আসুরিক বিয়ে, গন্ধর্ব বিয়ে, পিশাচ বা পৈশাচিক বিয়ে এবং রক্ষস বিয়েতে পাত্র-পাত্রীর ভূমিকাই মূখ্য। 

গান্ধর্ব বিয়েতে অন্য নারীকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচিত নারীকে আকর্ষণ করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যে নারীকে কাজে লাগানো হয়, তাকে বলা হয় ‘ঘটকী’। শব্দটি ঘটকের স্ত্রী লিঙ্গ। যেখানে পাত্রী কোন কারণে পাত্রকে পছন্দ করে না সেক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। ঘটকীর প্রধান কাজ হয় পাত্রের অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কে পাত্রীকে নানানভাবে প্রলুব্ধ করে তার মন পাত্রের অনুকুলে নিয়ে আসা। পাত্রীর পিতা-মাতা বা গার্জিয়ান যদি অন্য কোন পাত্রকে পছন্দ করে তবে সেই পাত্র সম্পর্কে নানারকম কুৎসা রটিয়ে পাত্রীর মনকে বিষিয়ে তুলে পাত্রের দিকে নিয়ে আসা। পাত্রীকে কনভিন্স করে পুরোপুরি পাত্রের দিকে অনার পরে তাদের দু’জনের অভিসারের ব্যবস্থা করা এবং প্রণয় ঘনিষ্ঠকরণের মাধ্যমে বিবাহ করানো। একজন ব্রাহ্মণকে ডেকে অগ্নিস্বাক্ষী রেখে হোম করে গোপনে বিয়ে করিয়ে মিলন ঘটানো এবং পরবর্তীতে তা সমাজে প্রকাশ করাই এ বিয়ের বৈশিষ্ট। কাজটিকে সহজতর করার জন্য ঘটকীর বয়স এবং পাত্রীর বয়স কাছাকাছি রাখার কথা বলা হয়েছে। ঘটকী যদি পাত্রীর কাছাকাছি কেউ হয় তাহলে তাকেই এ দায়িত্ব দেওয়া উত্তম। 

পৈশাচিক বিয়ে বাৎস্যায়নের যুগে প্রচলিত ছিল, এখন নেই। তরুণী যেখানে পাত্রকে পছন্দ করেনা এবং তাকে রাজি করানোর জন্য ঘটকী নিয়োগ করে গন্ধর্ব বিয়েও সম্ভব নয় সেখানে পৈশাচিক বিয়ে করা হতো। পাত্র, পাত্রীকে ফুসলিয়ে যুতসই কোন স্থানে নিয়ে তাকে মাদকদ্রব্য খাইয়ে অধজ্ঞানহীন ও উত্তেজিত করে তার সাথে যৌনমিলন করে, পরবর্তীতে পুরোহিত ডেকে সেই নারীকে বিয়ে করা। এটা হলো নারীর সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে তাকে অনোন্যপায় করে বিয়ে করতে বাধ্য করা। এজন্যই এটাকে বলা হয় পৈশাচিক বিয়ে। ধর্ষণকে সঙ্গায়িত করার পরে রাষ্ট্রীয় আইন ধর্ষিতার স্বার্থ সংরক্ষণ করায় এটি বন্ধ হয়ে গেছে।  

রাক্ষস বিয়ে হলো জোর করে বিয়ে। কোন সুন্দরী বিয়েতে রাজি না হলে লোকজন নিয়ে জোর করে তাকে তুলে এনে পুরোহিত ডেকে হোম করে বিয়ে করা। পুরাকালে ক্ষত্রিয় রাজারা এভাবে জোর করে পাত্রী ধরে এনে বিয়ে করতেন। এখন আর এ বিয়ের প্রচলন নেই। রাষ্ট্রীয় আইন জোর করে তুলে আনাকে স্বীকৃতি না দেয়ায় এটি বন্ধ হয়ে গেছে।  

আসুরিক বিয়েতে পাত্রীর কোন আত্মীয়কে অর্থকড়ির বিনিময়ে হাত করে তার সাহায্যে পাত্রীকে ভুলিয়ে বিয়ে করা। বর্তমান সমাজেও এ ধরণের বিয়ে প্রচলিত আছে। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা প্রথম চার প্রকার বিয়ের মতো হয় বলে এটিকে আর আলাদাভাবে চোখে পড়ে না। 

.................................................................

চার প্রকার বিয়ে প্রচলিত ছিল মহাভারতীয় যুগে - ব্রাহ্ম, গান্ধর্ব, অসুর, রাক্ষস। এর মধ্যে একমাত্র ব্রাহ্ম বিয়েতেই মন্ত্রোচ্চারণ এবং যজ্ঞের আয়োজন হতো। বৈদিক যুগের পর এর সঙ্গে যোগ হয় আরো ৪ প্রকার বিয়ে। এগুলো হল ক) দৈব খ) আর্য গ) প্রজাপাত্য ঘ) পৈশাচ। পৈশাচ ছাড়া অন্য বিয়েগুলো ছিল যজ্ঞ ও মন্ত্র নির্ভর।

এ ৮ রকম বিয়ের মধ্যে বেশিরভাগ পন্ডিতরা ব্রাহ্ম,দৈব, আর্য ও প্রজাপাত্য বিয়েকে উন্নত ও আধ্যত্মিক বিয়ে নামে অভিহিত করেছেন।

শাস্ত্রজ্ঞান সম্পন্ন পাত্রের কাছে যজ্ঞ ও মন্ত্রোচ্চারণসহ কন্যাদানের নাম ব্রাহ্মবিবাহ। 

যজ্ঞাদিসহ অলঙ্কারাদি দিয়ে সাজিয়ে কন্যাদান দৈববিবাহ। 

বরের কাছ থেকে এক বা একাধিক গোমিথুন নিয়ে কন্যাদান আর্যবিবাহ।

উভয়ে মিলিত হয়ে ধর্মাচারণ কর- এ উপদেশ দিয়ে অর্চনা সহকারে কন্যাদান প্রজাপাত্য বিবাহ। 

অর্থের বিনিময়ে মেয়ে কিনে তাকে বিয়ে করার নাম ছিল অসুর বিবাহ। 

গান্ধর্ব বিবাহ মূলত প্রেমের বিয়ে। পিতামাতার অজ্ঞাতে দুজন প্রাপ্তবয়স্কের সম্মতিক্রমে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হত। মহাভারতে অর্জুন চিত্রাঙ্গদার এ বিয়ে হয়। 

সমাজ মনোবিজ্ঞানী ওয়েস্টমার্ক রাক্ষস বিয়েকে ম্যারেজ বাই ক্যাপচার এবং অসুর বিবাহকে ম্যারেজ বাই পারচেজ নামে অভিহিত করেছেন। এদুটি বিবাহ ধর্ম মতে নিকৃষ্ট ও শাস্তি যোগ্য। 

একুশ শতকের প্রারম্ভকাল পর্যন্ত হিন্দু সমাজ বিশেষত বাঙালি সমাজে প্রজাপাত্য বিয়েই প্রচলিত।

.........................

হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের বিয়েতে প্রধানত দু’টি আচারগত বিষয় পরিলক্ষিত হয় যথা, বৈদিক ও লৌকিক। লৌকিক প্রথাগুলি লোকাচার সম্পর্কীয় এবং অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। বৈদিক প্রথাগুলি বিধিবদ্ধ শাস্ত্রীয় প্রথা এবং বিয়ের মূল অঙ্গ। তবে এই রীতিগুলিও অঞ্চল, বর্ণ বা উপবর্ণভেদে ভিন্ন হতে পারে। 

হিন্দু বিয়ে বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। 

প্রথম ধাপের নাম ‘পটিপত্র’। এটি  ‘লগ্নপত্র’ বা ‘মঙ্গলাচরণ’নামেও পরিচিত। বিয়ের দিন-তারিখ, দেনা-পাওনার হিসাব চুড়ান্ত করার জন্য যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, তাকেই বলে পটিপত্র। 

দ্বিতীয় ধাপের নাম ‘পানখিল’। এটি দুই ধাপে সম্পন্ন হয়, একটি বরের বাড়িতে অন্যটি কনের বাড়িতে। মঙ্গলাচরণ অনুষ্ঠানে বাড়ির মেয়েরা ও প্রতিবেশীরা মিলে বিয়ের গান গাওয়া হয়। 

তৃতীয় ধাপের নাম ‘দধিমঙ্গল’। এদিন বর ও কনে উপবাস থাকে। সম্পুর্ণ উপবাস নয়, এ সময়ে পানি ও মিষ্টি খাবার বিধান আছে। 

চতুর্থ ধাপের নাম ‘গায়ে হলুদ’। এটি সাধারণত বিয়ের দিনই সম্পন্ন হয়। প্রথমে বরের গায়ে হলুদ মাখানো হয়, পরে সেই হলুদ কনের গায়ে দেবার জন্য কনের বাড়িতে পাঠানো হয়। 

পঞ্চম ধাপের নাম ‘শঙ্খ কঙ্কণ’। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কনেকে শাঁখা পরানো হয়। এই পাঁচটি ধাপ আচার সম্পর্কীত, বিয়ের মূল অনুষ্ঠান নয়। বিকেলের দিকে ষষ্ঠ ধাপ থেকে শুরম্ন হয় মূল অনুষ্ঠান। 

ষষ্ঠ ধাপের নাম ‘বর বরণ’।  কনের মা বা নিকট আত্মীয়া একটি থালায় প্রদীপ, ধান, দূর্বা ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে বরকে বরণ করেন। 

সপ্তম ধাপের নাম ‘সাতপাক’। বিয়ের মন্ডপে প্রথমে বরকে আনা হয় এবং পরে পিড়িতে বসিয়ে কনেকে এনে তাঁকে বরের চারপাশে সাতপাক ঘোরানো হয়। এ সময়ে কনে পানপাতা দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখে। 

অষ্টম ধাপের নাম ‘শুভ দৃষ্টি’। বিয়ের মন্ডপে বর ও কনে একে অপরের দিকে দৃষ্টি বিনিময় করে। 

নবম ধাপের নাম ‘মালা বদল’। এ সময়ে বর ও কনে মালা বদল করে। 

দশম ধাপের নাম ‘সম্প্রদান’। কনের বাবা বা গার্জিয়ান, বরের কাছে বেদমন্ত্রে কন্যা সম্প্রদান করেন। 

একাদশতম ধাপের নাম ‘অঞ্জলী’। কনে ও বর একসঙ্গে আগুনে খই ছুড়ে দেয়। প্রচলিত বাংলায় একে বলে ‘খই পোড়া’। 

দ্বাদশ ধাপের নাম ‘সিঁদুর দান’। এখানে বর বধুর মাথায় সিঁদুর দিয়ে দেয়। 

ত্রয়োদশ ধাপের নাম ‘অগ্নিসাক্ষী। এসময়ে বরের ধুতির পিছনে বধুর শাড়ির আচল বেঁধে দেওয়া হয় এবং বরের পিছনে পিছনে বধু অগ্নিকে কেন্দ্র করে সাতবার ঘোরে। এটি হিন্দু বিয়ের শেষ রীতি। 

বাংলাদেশে এখনও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়ে পারিবারিক নিয়মে হয়, কোন রেজিষ্ট্রেশন হয়না। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে কোন চুক্তি বিশেষ নয়, এটি একটি পবিত্র বন্ধন ও ধর্মীয় নির্দেশ। দশটি অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্তব্যের মধ্যে বিয়ে একটি। এখানে বিবাহ বিচ্ছেদ ও পুনর্বিবাহ স্বীকৃত নয়। ভারতে ১৯৫৫ সালে হিন্দু বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন আইন চালু হয়েছে এবং বিয়ে রেজিষ্ট্রেশনকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখনও এমন কোন নিয়ম চালু হয়নি। ফলে এ দেশে হিন্দু মেয়েদের বৈবাহিক অধিকার এখনও আইন দ্বারা স্বীকৃত নয়।

...............................................

হিন্দু মতে বিয়েতে আমরা দেখতে পাই, আগুনের কুন্ডলীর চারপাশে বর-বউকে ঘুরতে। একে সাত পাকে বাঁধা পড়া বলা হয়। বলা হয়, এর মাধ্যমে অগ্নিদেবতাকে বিয়েতে সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়। শুধু আগুনের চারপাশে ঘোরাই নয়, এই সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও দিতে হয় একে অপরকে।

প্রথম প্রতিশ্রুতি- প্রথমে বর তাঁর বউ এবং তাঁর ভাবী সন্তানদের যত্ন নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিনিময়ে কনেও প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি তাঁর স্বামী এবং তাঁর পরিবারের যত্ন নেবেন।

দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি- এবার বর প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি তাঁর স্ত্রীকে সবরকম পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করবেন। বিনিময়ে কনেও প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি স্বামীর সবরকম যন্ত্রণায় পাশে থাকবেন।

তৃতীয় প্রতিশ্রতি- এবার বর প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি তাঁর পরিবারের জন্য রোজগার করবেন এবং তাঁদের দেখভাল করবেন। একই প্রতিশ্রুতি এবার কনেও করেন।

চতুর্থ প্রতিশ্রুতি- স্ত্রীর কাছে তাঁর পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব তুলে দেওয়া এবং একইসঙ্গে স্ত্রীর সমস্ত মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বর। স্ত্রী তাঁর সমস্ত দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করার প্রতিশ্রুতু দেন।

পঞ্চম প্রতিশ্রুতি- যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন বর। স্বামীকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দেন স্ত্রী।

ষষ্ঠ প্রতিশ্রুতি- স্ত্রীর প্রতি সত্য থাকার প্রতিশ্রুতি দেন স্বামী। স্ত্রীও স্বামীর প্রতি সত্য থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

সপ্তম প্রতিশ্রুতি- শুধু স্বামী হিসেবেই নয়, বন্ধু হিসেবেও সারাজীবন স্ত্রীর সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন বর। বিনিময়ে স্ত্রীও স্বামীর সঙ্গে জাবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।


সংগৃহীত

No comments:

Post a Comment

প্রথম কথা

মনে  হচ্ছিল যেন উনি এসেছেন। বাড়ির পিছনে আমি ইট বাঁধানোর কাজ করছি, নর্থ আমেরিকায় যেমন হয়, বাড়ির টুকটাক সবকাজ নিজেরাই করে । দেখি চকচকে জুতো। ত...