মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়


প্ল্যানেট Earth একটা কন্সাসনেস। পুরো প্ল্যানেট এখন 3D level((স্তর)  হতে 5D স্তরে উন্নীত হতে যাচ্ছে। 
লক্ষাধিক বছর আগে, আমাদের 12 strand DNA কে রেপ্টিলিয়ানরা (ইবলিশ) ম্যানুপুলেট করে নষ্ট করে দিয়েছিল। লাইট- সোর্স থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল। বহু লক্ষ বছর আগে থেকে  আমরা অন্ধকার যুগে বসবাস করছিলাম। সোর্স থেকে পুরা বিচ্ছিন্ন। ২৬০০০ বছরের এই Dark age শেষ হয়ে গেছে (মায়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে) ২০১২ তে। spiritually  আমরা (সাধারণ মানুষেরা) অ্যাওয়েকেন হওয়া শুরু করেছি। 
 প্রফেসি অনুসারে গ্যালাকটিক ফেডারেশান আমাদের সাথে mass contact  করবে ২০২৭ এ। ১৯৭০   বা তারও আগে ১৯৪০  থেকে তারা বিভিন্ন দেশের  রাজ্যপতিদের সাথে কন্টাক্ট করে দেখেছে রাজা বাদশারা শুধু  ভীনগ্রহীদের কাছ থেকে  টেকনলজি  নিয়ে  পৃথিবীর মানুষদের মারে । যুদ্ধ লাগায় , প্ল্যানেটের কোন উন্নতি করে না। আরো দেখেছে এসব রাজ্যপতিরা সবই ক্যানিবাল এবং নন-হিউম্যান রেপ্টিলিয়ান। shape shift  করে মানুষের রূপ  ধারণ করে চলে। দু ' একজন মানুষ এ অবস্থানে আসতে পারলেও তাদেরকে তারা মেরে ফেলে। তারপর  তাদের ক্লোন বানিয়ে  সকলের সামনে উপস্থাপন করে। রেপ্টিলিয়ানদের এসব কর্মকান্ড ancient knowledge সমৃদ্ধ মেক্সিকোর শামান -রা,  বা তদের লেভেলের বুজুর্গ যারা আছেন, অন্য সব জায়গায়, তারা খুব ভাল জানেন। চ্যানেলার-রা জানেন। অ্যাবডাক্টিরা জানেন। কিন্তু জনসাধারণের কাছে এসব তুলে ধরা  শুরু হয়েছে ইন্টারনেট আসার পর থেকে। এখন সবাই রেপ্টিলিয়ানদের মত অন্যান্য ইভিল এন্টিটির  ব্যাপারেও সচেতন। 
ইভিল-দের প্রিয় জিনিস হলো মানুষের রক্ত,  মানুষের সাথে যুদ্ধ আর শিশুদের অ্যাসল্ট করা। যেহেতু শিশুদের DNA pure , তাই শিশুরা এদের পছন্দ। এখন এপস্টিন ফাইল সামনে আসাতে তারা মরিয়া হয়ে গেছে এসব ঢাকা দেবার জন্য। কিন্তু মানুষের হাতে ক্ষমতা না থাকলেও আত্মিক দিক দিয়ে  soul level  -এ মানুষরা এতটাই অ্যাওয়েকেন হয়ে গেছে যে, সেই শক্তির কাছে রেপ্টিলিয়ান- রা হেরে গেছে। ফলে এইসব যুদ্ধের সূচনা করেছে। ডার্ক ফোর্সের পরাজয় ঘটে গেছে স্পিরিচুয়াল লেভেলে , ২০১২  তেই। ডায়ানা কুপার  এর লেকচার শুনে দেখেন।  
লাইট -ফোর্স গ্যালাকটিক ফেডারেশানের সাহায্য নিয়ে জয়ী হয়ে যাবে  বলে প্রফেসি আছে।
গ্যালাকটিক ফেডারেশান এই ইউনিভার্সের মাঝে  5D বা তার উপরের 6D/7D এর non human entity. তারা আমাদের লোকাল -গ্যালাক্সি সমূহের দেখভাল করে। 
7D 'আর্কচুরিন' এবং 5D প্লেইডিয়ানরা চ্যানেলিং এর মাধ্যমে এ-ও বলেছে যে, তারা নিউক্লিয়ার -ওয়ার প্রতিহত করবে।

সৃষ্টিতে টাইম লাইন একাধিক।  রিয়্যালিটি একাধিক। কোন টাইম -লাইনের চ্যানেলিং , চ্যানেলার- রা করছে তা  বুঝা কঠিন। কিন্তু যদি এই প্রফেসি সত্য হয়ে থাকে তাহলে আমাদের প্রজাতি বেঁচে যাবে। এই প্ল্যানেট বেঁচে যাবে। আর নিউক্লিয়ার -ওয়ার হলে প্ল্যানেট  উড়ে টুকরা টুকরা হয়ে 'কিউপার বেল্টের' মত গুড়া গুড়া হয়ে যাবে। বা  Mars এর atmosphere উড়ে সমগ্র প্ল্যানেট যেমন  বসতিহীন হয়ে পড়েছিল, তা হবে।
আমরা যেমন তা চাই না। গ্যালাকটিক ফেডারেশানও তা চায় না। কারণ এতে সৃষ্টির ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটে। তাদের ফ্লিট  এখন দেখা দিচ্ছে আকাশে। বা বলা চলে আমাদের কনসাশনেস সেই পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে যে, আমরা তাদের ফ্লিট দেখতে পাচ্ছি। রাজ্যপতিরা আর লুকিয়ে রাখতে পারছে না। ২০২৭ এ ভীনগ্রহীরা  mass-কমিউনিকেশান করবে। তাই  এসব প্রতিরোধ করতে রেপ্টিলিয়ান  shape shifter - রা মরিয়া হয়ে ২০২৭-২০৩০ পর্যন্ত  সবকিছু তছনছ করবে। 
প্রফেসি আছে ইমাম মেহেদী আসবেন। ঈসা নবীর আগমন ঘটবে। মহাপ্রলয় একদিন শান্ত হবে। জাকারিয়া কামালের Scientific Tafsir এর লেকচার দেখেন। Alex Collier , Jordan Maxwell সহজ ভাষায় shape shifting  বর্নণা করেছেন। তাদের লেকচার শুনতে পারেন।




No comments:

Post a Comment

ব্লগে আমার ১৮ বছর পূর্তি

এমনি একদিন  ২০০৭ । অনলাইন   একটি ই- ম্যাগাজিন সম্পাদনার কাজ করি। অবনী অনার্য  পাকা লেখক। তার থেকে লেখা নিয়ে আমার ই- ম্যাগাজিন সমৃদ্ধ। যার  হ...