Wednesday, March 25, 2009

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান বৎসর

 

২০০৯ সালকে ঘোষণা করা হয়েছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান বৎসর হিসেবে। এ উপলক্ষ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও তার দূরবীণের ছবি, পাশাপাশি খোদিত করে বের করা হয়েছে ২৫ ইউরোর একটি মুদ্রা। মুদ্রাটির ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে গ্যালিলিওর প্রথম চন্দ্রাপৃষ্ঠের চিত্রাঙ্কন। বর্ডারে রয়েছে বেশ কয়েক প্রকার টেলিস্কোপের খোদিত চিত্র। যেমন, স্যার আইজ্যাক নিউটনের দূরবীণ, আধুনিক টেলিস্কোপ, রেডিও টেলিস্কোপ ও স্পেস টেলিস্কোপের ছবি। গ্যালিলিও তার টেলিস্কোপ দিয়ে নভোমন্ডল দর্শনের বছরটি ছিল আজ হতে চারশত বছর আগে ১৬০৯ সাল। তাই ২০০৯ সালটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো গ্যালিলিও টেলস্কোপ উদ্ভাবনের ৪০০ তম বর্ষ।

গ্যালিলিও জন্মেছিলেন ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি ইতালীর পিসা নগরীতে। তাই ১৪ ই ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ইউনিভার্সিটি অব নেবারাস্কার জাতীয় যাদুঘরের মুলার প্ল্যানেটোরিয়ামে গ্যালিলিওর জন্মদিন স্মরণে রেখে উন্মোচন করা হয় ৬ ফুট বাই ৩ ফুট আকৃতির একটি মুরাল যেটি কিনা ছিল মেসিয়ার ১০১ এর বর্ণাঢ্য মুরাল।

মেসিয়ার ১০১ একটি সর্পিলাকার ছায়াপথ যা ২২ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর দিয়ে ঊর্ধা মেজর (যার অপর নাম গ্রেট বিয়ার বা বিগ ডিপার বা সেভেন স্টার বা সপ্তর্ষি মন্ডল) নক্ষত্রমন্ডলে ভেসে বেড়াচ্ছে মহাকাশের গহবরে। নক্ষত্রের ঘূর্ণিবলয়ে সমৃদ্ধ এই গ্যালাক্সীটি শিখাহীন উজ্জ্বল গ্যাসের চক্রাকার ঘূর্ণনের কারণে পিনহুইল গ্যালাক্সী নামেও সুখ্যাত। এর বিশালতা এক লক্ষ ৯০ হাজার আলোকবর্ষ। ৩৩ বিলিয়ন সংখ্যক নক্ষত্র সে ধারণ করে আছে তার মাঝে।

স্পিটজার টেলিস্কোপের ইনফ্রা-রেড চিত্র থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা পেয়েছেন ছায়াপথটির ধূলিকণা সমৃদ্ধ উচ্চ তাপীয় অবস্থা। তেমনি চন্দ্র এক্স রে মানমন্দির থেকে প্রাপ্ত এক্স রে এবং হাবল টেলিস্কোপের প্রাপ্ত হলুদাভ বর্ণের চিত্র একত্র করে এই পিনহুইল গ্যালাক্সীটি চিত্রে প্রতীয়মান হয়ে উঠেছে সব বর্ণে সব রঙে।

তথ্যঃ ইন্টারনেট

No comments:

Post a Comment

হায়ার সেলফ্‌

শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে আবাসিক এলাকার আশপাশ, তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার ...